যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার হাড়ে ক্যানসার বাসা বাঁধছে

0

ঢাকা অফিস: ক্যানসার যখন আমাদের হাড়কে আক্রান্ত করে তখন আমারা একে বলছি হাড়ের ক্যানসার। চিকিৎসা শাস্ত্রে, হাড় বা বোনের ক্যানসার হলো ম্যালিগন্যান্ট টিউমার যা স্বাভাবিক বোন বা হাড়ের টিস্যুগুলোকে নষ্ট করে দেয়। এই মরণব্যাধি মূলত শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে দেখা যায়। কী কারণে বোন বা হাড়ের ক্যানসার হয় তা এখনো নির্দিষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। হাড়ের ক্যানসারকে সারকোমা ও লিউকেমিয়া এই দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। সারকোমা হলো হাড়, পেশি, কারটিলেজ এবং রক্তনালিগুলোর মতো সংযোগকারী টিস্যুগুলোর একটি ক্যানসার। আর লিউকেমিয়া হলো হাড়ের মজ্জার একটি ক্যানসার যা রক্ত কোষ গঠন করে। উপসর্গ আমাদের শরীরে ক্যানসার বাসা বাঁধতে পারে কিনা তা আগে থেকে কেউ বলতে না পারলেও শরীরে এর উপস্থিতি একটু খেয়াল করলেই বোঝা যাবে। এই বিষয়ে গবেষকরা বলছেন বেশকিছু লক্ষণ আছে যা দেখে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার বোন বা হাড়ের ক্যানসার হয়েছে কি না।এই ক্যানসারের ক্ষেত্রে হাড়ের ভেতর অসহ্য যন্ত্রণা হবে। এই ব্যথা প্রথমে হালকাভাবে শুরু হবে। তারপর অসহ্য যন্ত্রণা রোগী অনুভব করবে। এছাড়া হঠাৎ করে কোনো জায়গা পুঁজ জমে যাওয়ার মতো ফুলে ওঠাও হাড় ক্যানসারের একটি লক্ষণ। যদি শরীরে হাড় ক্যানসারের বীজ থাকে তবে আচমকা হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা হাঁটাচলা বা নড়াচড়ায় অসুবিধা বোধ করেন। এই রোগের আরও কিছু লক্ষণ হলো ওজন কমে যাওয়া, ফ্যাটিগ, আলসে ভাব, ঘন ঘন জ্বর, অ্যানিমিয়ায় ভোগা, দুর্বলতা অনুভব করা। দেহের হাড়গুলোর অস্বাভাবিক বৃদ্ধির দ্বারা এই চিকিৎসকরা শনাক্ত করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন হাড়ের স্বাভাবিক কোষ ক্যানসার আক্রান্ত বা ম্যালিগন্যান্ট হয় তখন রোগী এই রোগে আক্রান্ত হয়। আবার শরীরের অন্য স্থানের যেমন ফুসফুস, স্তন বা প্রোস্টেট গ্রন্থির ক্যানসার কোষ থেকেও হাড়ের ক্যানসার হতে পারে।

Share.