ঢাকা অফিস: গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা ও ভাঙচুরে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবি পুলিশের মিরপুর বিভাগের একটি অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. কামাল গাজী (৩২), মো. ওলিউল্লাহ অনিক (২০), আলিফ হোসেন ইমন (২৬), মো. নাহিদ হাসান (১৮), আরিফ আকন্দ (২৯), জায়েদ করিম রিয়াজ (২৪), মো. রমজান সরকার (১৮), মোয়াজ্জেম শাহরিয়া (নিয়াজ), জুবায়েদ ইসলাম জিসান (২২) এবং মো. মাহিম মোল্লা (১৯)। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কামাল গাজী শ্রমিক লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে শ্রমিক আন্দোলনে মিছিল ও ভাঙচুরের জন্য লোক সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। ওলিউল্লাহ অনিককে আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য ও পিকেটার হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। আলিফ হোসেন ইমন, নাহিদ হাসান, আরিফ আকন্দ, জায়েদ করিম রিয়াজ, মোয়াজ্জেম শাহরিয়া, জুবায়েদ ইসলাম জিসান এবং মাহিম মোল্লাকেও আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, মো. রমজান সরকার যুবলীগের সক্রিয় কর্মী বলে পুলিশের তথ্যের তালিকায় উল্লেখ রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কামাল গাজীর বাড়ি পটুয়াখালী, ওলিউল্লাহ অনিকের কুষ্টিয়া, আলিফ হোসেন ইমনের মুন্সীগঞ্জ, নাহিদ হাসানের পঞ্চগড়, আরিফ আকন্দের গাইবান্ধা, জায়েদ করিম রিয়াজ ও মোয়াজ্জেম শাহরিয়ার কক্সবাজার, রমজান সরকারের পাবনা, জুবায়েদ ইসলাম জিসানের সাভার এবং মাহিম মোল্লার মাদারীপুরে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বেশির ভাগই রাজধানীর মিরপুর, পল্লবী, রূপনগর, কাফরুল ও উত্তরা এলাকার বিভিন্ন স্থানে বসবাস করতেন। এর আগে শ্রমিক আন্দোলনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাদের অংশগ্রহণের তথ্যও সামনে আসে। তাদের একজন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজবুল ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রকাশিত বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিওতে তাকে শ্রমিক আন্দোলনে অংশ নিতে এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
মিরপুরে শ্রমিকদের মধ্যে ঢুকে নিষিদ্ধ আ. লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের নাশকতা ও ভাঙচুরে অভিযোগে গ্রেপ্তার- ১১
0
Share.