‘‘খামখেয়ালিভাবে শাকিবের ‘প্রিন্স’ ও ‘রকস্টার’ তৈরি করা হয়েছে’’

0

বিনোদন ডেস্ক: গেল বছরও ঢালিউডের হিট মেশিন হিসেবে বিবেচনা করা হতো শাকিব খানকে। এবারের চিত্র ব্যতিক্রম। চলতি বছর মুক্তিপ্রাপ্ত শাকিবের দুটি ছবি ‘প্রিন্স’ ও ‘রকস্টার’ আশানুরূপ ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়েছে। দর্শকরাও হয়েছেন হতাশ। ঢালিউডের প্রযোজক ও লায়ন সিনেমাসের কর্ণধার মির্জা আব্দুল খালেক মনে করছেন ছবি দুটি খামখেয়ালি ভাবে তৈরি করা হয়েছে। সে কারণেই ব্যর্থতার স্বাদ নিতে হচ্ছে কিং খানকে। গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘আমাদের সিনেমার একমাত্র স্টার মেগাস্টার যাই বলি তিনি শাকিব খান। এ বছর দুই ঈদে তার দুটি সিনেমা (প্রিন্স ও রকস্টার) মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু আমি মনে করি দুটি ছবিই খামখেয়ালি ভাবে তৈরি করা হয়েছে।’ শুরুতেই প্রিন্স নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘রোজার ঈদে মুক্তি পায় ‘প্রিন্স’। শুনেছি ঈদের আগের দিনও নাকি ছবিটির শুটিং হয়েছে। এটা খুবই অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও দুঃখজনক। দেশের বাইরে শুটিং হয়েছে ছবিটির। ১২ কোটি নাকি খরচ হয়েছে। সব বাদ দিলাম। ধরলাম ৫-৬ কোটি খরচ হয়েছে। সে টাকাও তো উঠে আসেনি। মুক্তির প্রথম দিন-ই হল থেকে বেরিয়ে দর্শক বলেছেন এটা কী বানিয়েছে!’’ এরপর রকস্টার নিয়ে বলেন, ‘‘কোরবানি ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রকস্টার’-এর প্রচণ্ড হাইপ ছিল। প্রযোজনা সংস্থা যে প্রচারণা চালিয়েছে ভাবাই যায় না! আমি মনে করি প্রমোশনে কয়েক কোটি খরচ করেছে। এমনকি ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামেও প্রচারণা চালিয়েছে! আমাদের সিনেমাগুলোর ক্ষেত্রে বড় ঘাটতি থাকে প্রচারণায়। সামাজিক মাধ্যমে দুটি পোস্টার প্রকাশ করেই প্রচারণার কাজ সেরে ফেলে অধিকাংশরা। ‘রকস্টার’-এর সে ধরণের ঘাটতিও নেই।’’ ছবির ব্যর্থতার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমার মাথায় যখন ‘রকস্টার’ নামটি আসবে তখন ধরে নেব এটি মিউজিক্যাল ফিল্ম। তাই যদি হয় তাহলে নুন্যতম দুটি গান মানুষের মুখে মুখে ফিরতে হবে। সেরকম কিছু হলো না। এভাবে তো হয় না। আমিও তো ২০-২৫টি সিনেমার প্রযোজক। একেকটা ছবির নির্মাণের আগে গল্প ও গান নিয়ে যে পরিমাণ সময় দিতাম মনে হয় না ওই শ্রম বা সময় এখন কেউ ব্যয় করে।’ প্রসঙ্গত, ‘প্রিন্স’ নির্মাণ করেছেন নির্মাণ করেছেন আবু হায়াত মাহমুদ। ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস-এর ব্যানারে সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন শিরিন সুলতানা। অন্যদিকে রকস্টারের নির্মাতা আজমান রুশো। প্রযোজনা সংস্থা সান মোশন।

Share.