স্পোর্টস ডেস্ক: হয়রানি না করার নিশ্চয়তা দেওয়া হলে শিগগিরই দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এমপি সাকিব আল হাসান। সম্প্রতি দেশের একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব নিজেই এ কথা বলেছেন। দেশে ফেরার আশা নিয়ে তিনি বলেন, আমি ফিরবো, আশা করি তাড়াতাড়িই ফিরতে পারবো। আমি ফিরবো, কোর্টে যাবো, মামলা লড়বো। কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আমার নিরাপত্তা তো দিতে হবে! এতটুক তো আশা করতেই পারি। তিনি আরও বলেন, আমি তো বলছি না যে, নিরাপত্তা মানে আমার জন্য রাস্তা বন্ধ করে দিতে হবে বা পুলিশের চারটা গাড়ি সামনে থাকবে। ওরকম তো চাচ্ছি না। তবে একটা স্বাভাবিক নিরাপত্তা তো আছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত হয়রানি করবে না। ব্যাস, এতটুকুই আশা করি। সাধারণ নাগরিক হিসেবেই তো এটুকু আশা করতে পারি। হয়রানি না করার নিশ্চয়তা যদি কালকে দেওয়া হয়, পরশুই দেশে যাবো আমি। এদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে তিনি ছিলেন কানাডা। ওইসময় তার স্ত্রীর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি পোস্ট ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলেছিল। সেই ঘটনা নিয়ে সাকিব বলেন, ওই সময়টাই আসলে ফুটিয়ে তোলে, কীভাবে আমার নেতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা বা নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। ওই কয়েকটা দিনে যেভাবে আমাকে নিয়ে নেগেটিভ জিনিসগুলো ছড়ানো হয়েছে, এর আগে কখনও সেভাবে হয়নি। শুরুতে আমার কাছে একটু অস্বাভাবিকই লাগছিল, পরে বুঝেছি। তিনি আরও বলেন, আমরা ছিলাম কানাডাতে। ছবিটি ওইদিনই তুলেছি নাকি আগের দিন তুলেছি, না কবে তুলেছি, দুই দিন আগে পোস্ট করা হয়েছে নাকি পরে, কেউ কি জানে তারা? নাটকীয়ভাবে যখন এটাকে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রমোট করা হয়, লোকে খুব গভীরভাবে না চিন্তা না করেই সেটি দেখবে এবং জাজ করবে। ওই সময়ে একটা লোক গুলি খেয়েছে এবং সেটা জেনেও ছবি পোস্ট করেছি, সেটা কি হয়? সাকিব বলেন, চাইলেই এসব নেতিবাচকভাবে ফুটিয়ে তুলে ফায়দা নেওয়া যায়। যেহেতু আমি সরকারের অংশ ছিলাম, স্বাভাবিকভাবে আমার নেগেটিভটা ছড়াতে পারল বেশি প্রভাব পড়বে, তারা হয়তো চিন্তা করছে। যাই হোক, এটা আসলে এত ব্যাখ্যা করারও কিছু নেই।
আমি ফিরবো, আশা করি তাড়াতাড়িই ফিরতে পারবো: সাকিব
0
Share.