স্পোর্টস ডেস্ক: মেয়েদের ক্রিকেটে পরাশক্তি হলেও বিশ্বমঞ্চে তেমন দাপট ছিল না ভারতের। যার প্রমাণ পাওয়া যায় তাদের শোকেসে চোখ বুলালে। চেষ্টা করেও আইসিসির কোনো বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে উদযাপন করতে পারছিলেন না হরমনপ্রীত কৌর-স্মৃতি মান্ধানা। ওয়ানডে-টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে তিনবার ফাইনাল খেললেও প্রতিবারই প্রতিপক্ষের উদযাপন দেখতে হয়েছে ভারতের। সেই আক্ষেপ গত বছর ঘুচেছে। ঘরের মাঠের ওয়ানডে বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পায় ভারত। নাবি মুম্বাইয়ে ঐতিহাসিক ফাইনাল জয়ে অনবদ্য অবদান রেখেছেন দীপ্তি শর্মা। ফাইনালে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ৫৮ রানের পর অফস্পিনে নেন ৫ উইকেট। শুধু ফাইনাল নয়, পুরো আসরে দুর্দান্ত ছিলেন এই অফস্পিনার। যার স্বীকৃতি হিসেবে জিতেছেন টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার। বিশ্বকাপে ২১৫ রান ও ২২ উইকেট নেওয়ার পুরস্কার আরেকবার পেলেন দীপ্তি। ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ হিসেবে পরিচিত উইজডেনের বর্ষসেরা নারী ক্রিকেটার হয়েছেন তিনি। ২৮ বছর বয়সী অফস্পিনারের বিপরীতে পুরুষ বিভাগে বর্ষসেরা হয়েছেন মিচেল স্টার্ক। ২০২৫ সাল সোনায় মোড়ানো ছিল স্টার্কেরও। টেস্ট ইতিহাসে বাঁহাতি পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি সর্বশেষ বছর ৫৫ উইকেট নিয়েছেন। এই উইকেট নেওয়ার পথে ক্যারিয়ারসেরা বোলিংও করেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৮ রানে ৭ উইকেট নেন। ৩৬ বছর বয়সী পেসারে দুর্দান্ত ছন্দেই অ্যাশেজে ইংল্যান্ডকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। পুরো সিরিজে ৩১ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ১০০০ রানের মাইলফলক ছোঁয়ায় বিশ্বসেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার হয়েছেন বাঁহাতি ওপেনার অভিষেক শর্মা। অন্যদিকে বছরের সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের তালিকায় ভারতের জয়জয়কার। চারজনই ভারতের। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-২ ড্র হওয়া সিরিজের পারফরম্যান্স দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন—শুবমান গিল, রবীন্দ্র জাদেজা, ঋষভ পন্ত ও মোহাম্মদ সিরাজ। বছরের সেরা একক পারফরম্যান্স হিসেবে ভারতের অধিনায়ক গিল জিতেছেন ‘উইজডেন ট্রফি’। এজবাস্টন টেস্টে ৪৩০ রান করার পুরস্কার পান তিনি। ৫ ক্রিকেটারের বাকি জন হচ্ছেন ইংল্যান্ডের ব্যাটার হাসিব হামিদ। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে নটিংহ্যামশায়ারকে চ্যাম্পিয়ন করার পথে ৬৬ গড়ে ১২৫৮ রান করেন তিনি।
উইজডেনের বর্ষসেরা স্টার্ক-দীপ্তি
0
Share.