কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

0

ডেস্ক রিপোর্ট: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত এবার আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে কুয়েতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘আলি আল-সালেম’ বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে জোরালো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আইআরজিসি-র জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘অপারেশন নাসর ২’-এর অধীনে আইআরজিসি-র নৌ ও মহাকাশ বাহিনী যৌথভাবে এই সম্মিলিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলাটি পরিচালনা করে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়, নিখুঁত এই হামলায় বিমানঘাঁটিতে থাকা একটি অত্যাধুনিক সি-র‍্যাম আগাম সতর্কীকরণ রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে এবং সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের একটি বড় সমাবেশকে সরাসরি নিশানা করা হয়েছে। হামলার পর বিবৃতিতে কুয়েতের সাধারণ জনগণের প্রতি আবারও বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র কুয়েতের মাটি ব্যবহার করে মুসলিম দেশ ইরানের বিরুদ্ধে একের পর এক ‘অপরাধ’ ও সামরিক আগ্রাসন চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কুয়েতবাসীকে ‘আগ্রাসী মার্কিন শক্তি থেকে নিজেদের দেশকে মুক্ত করতে’ এবং ইসলামী কর্তব্য ও ঐতিহাসিক সম্মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানায় আইআরজিসি। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূল ও শহরগুলোতে এক রাতে মার্কিন বিমানবাহিনীর ব্যাপক বোমাবর্ষণের পরই কুয়েতের ঘাঁটিতে এই পাল্টা হামলা চালাল তেহরান। গত কয়েকদিন ধরেই এই অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী আক্রমণ চালাচ্ছে, যার জবাবে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোও বারবার ইরানের মূল ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করে বোমা ফেলছে।ইরান সরকারের ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক বিমান হামলায় দক্ষিণ ইরানে এ পর্যন্ত ৩০ জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া হামলার তীব্রতায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র কাছাকাছি এসে পড়ায় ইরানের আহভাজ শহরের একটি শিশু ক্যান্সার হাসপাতাল থেকে মুমূর্ষু রোগীদের জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। মেহের নিউজ

Share.