বিনোদন ডেস্ক: বলিউড অভিনেতা শাহিদ কাপুর ও মীরা রাজপুতের প্রেম এবং বিয়ের গল্প নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। এবার মীরার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের মজার অভিজ্ঞতা এবং অজানা কিছু ঘটনা সামনে এনেছেন শাহিদ কাপুর। সম্প্রতি এক আলোচনায় শাহিদ ও মীরা তাদের প্রথম পরিচয়ের স্মৃতিচারণ করেন। সেখানে শাহিদ জানান, প্রথম সাক্ষাতেই দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে কথাবার্তা হয়েছিল। প্রায় সাত ঘণ্টা নানা বিষয়ে আলোচনা করতে করতে সময় কেটে যায় তাদের। শাহিদের ভাষ্য অনুযায়ী, মীরার বয়স তখন ২০ বছর, আর তার বয়স ছিল ৩৪। বয়সের এই ব্যবধান নিয়ে শুরুতে কিছুটা চিন্তিত ছিলেন তিনি। দুজনের মধ্যে মানসিক মিল হবে কি না, তা নিয়েও ভাবছিলেন অভিনেতা। তবে দীর্ঘ সময় কথা বলার পর সেই সংশয় অনেকটাই কেটে যায়। প্রথম সাক্ষাতের সবচেয়ে মজার ঘটনা ছিল শাহিদের জুতা নিয়ে। অভিনেতা জানান, দুই-তিন ঘণ্টা কথা বলার পর তিনি মীরাকে বারবার নিজের জুতার ছবি তুলতে বলেন। এমনকি মীরাকে ফোনের আলো জ্বালাতেও অনুরোধ করেন। শাহিদের জুতার বিশেষত্ব ছিল, অন্ধকারে আলো পড়লে সেটি জ্বলে উঠত। চারপাশ অন্ধকার হয়ে গেলেও শুধু জুতোটিই আলোকিত হয়ে দেখা যেত। আর সেই অদ্ভুত বিষয়টি মীরাকে দেখাতেই এত আয়োজন করেছিলেন অভিনেতা। এদিকে মীরার বাবার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের অভিজ্ঞতাও বেশ মজার ছিল শাহিদের জন্য। সে সময় ‘উড়তা পাঞ্জাব’ সিনেমায় টমি সিং চরিত্রে অভিনয় করছিলেন তিনি। চরিত্রের প্রয়োজনে তাঁর চুলের রং ছিল সবুজ। মীরার বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে দরজা খুলতেই তাকে সবুজ চুলে দেখতে পান শাহিদ। বিষয়টি মনে করে অভিনেতা বলেন, সেই মুহূর্ত তিনি কখনো ভুলবেন না। মজার ছলে তিনি আরও জানান, বিয়ের পর ‘উড়তা পাঞ্জাব’ সিনেমাটি দেখে মীরার মনে হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত কাকে বিয়ে করলেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে মীরা রাজপুতকে বিয়ে করেন শাহিদ কাপুর।
প্রথম দেখাতেই মীরার কাছে যে আবদার করেছিলেন শহিদ কাপুর
0
Share.