স্পোর্টস ডেস্ক: গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষে শুরু হচ্ছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এবারের বিশ্বকাপে ৪৮ দলের মধ্যে ৩২টি দল নিশ্চিত করেছে শেষ বত্রিশের টিকিট। এখন থেকে প্রতিটি ম্যাচই ‘মরণ-বাঁচন’। যেখানে হারলেই ছিটকে যাবে বিশ্বকাপ থেকে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শেষ বত্রিশে মুখোমুখি হবে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দের। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল খেলবে এশিয়ার শক্তিশালী দল জাপানের বিপক্ষে। অন্যদিকে, ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সুইডেন এবং পর্তুগাল খেলবে ২০১৮ সালের রানার্সআপ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে।
২৮ জুন: দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম কানাডা — রাত ১:০০টা
২৯ জুন: ব্রাজিল বনাম জাপান — রাত ১১:০০টা
৩০ জুন: জার্মানি বনাম প্যারাগুয়ে — রাত ২:৩০টা
৩০ জুন: নেদারল্যান্ডস বনাম মরক্কো — সকাল ৭:০০টা
১ জুলাই: আইভরি কোস্ট বনাম নরওয়ে — রাত ১১:০০টা
২ জুলাই: ফ্রান্স বনাম সুইডেন — রাত ৩:০০টা
২ জুলাই: মেক্সিকো বনাম ইকুয়েডর — সকাল ৭:০০টা
৩ জুলাই: ইংল্যান্ড বনাম ডিআর কঙ্গো — রাত ১০:০০টা
৪ জুলাই: বেলজিয়াম বনাম সেনেগাল — রাত ২:০০টা
৪ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্র বনাম বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা — সকাল ৬:০০টা
৪ জুলাই: স্পেন বনাম অস্ট্রিয়া — রাত ১:০০টা
৫ জুলাই: পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া — রাত ৫:০০টা
৫ জুলাই: সুইজারল্যান্ড বনাম আলজেরিয়া — সকাল ৯:০০টা
৬ জুলাই: অস্ট্রেলিয়া বনাম মিশর — রাত ১২:০০টা
৬ জুলাই: আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে — রাত ৪:০০টা
৬ জুলাই: কলম্বিয়া বনাম ঘানা — সকাল ৭:৩০টা
অন্যদিকে, শিরোপার অন্যতম দাবিদার ফ্রান্স আগামী ১ জুলাই নিউ জার্সিতে মুখোমুখি হবে সুইডেনের। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। এতে পর্তুগাল গ্রুপ ‘কে’য়ের রানার্সআপ দল হিসেবে নকআউটে উঠেছে। আগামী ৩ জুলাই ২০১৮ সালের রানার্স-আপ ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে তারা। এছাড়া পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল হিউস্টনের মাঠে এশিয়ার অন্যতম পরাশক্তি জাপানের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ৪ জুলাই কানসাস সিটিতে কলম্বিয়া বনাম ঘানার ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হবে নকআউটের প্রথম ধাপের এই লড়াই। গ্রুপ পর্বের সমীকরণ, রাউন্ড অব থার্টি টুতে কোন গ্রুপ থেকে কারা উঠল। গ্রুপ এ’তে চ্যাম্পিয়ন মেক্সিকো এবং রানার্স-আপ দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপ বি’তে চ্যাম্পিয়ন সুইজারল্যান্ড, রানার্স-আপ কানাডা এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। গ্রুপ সি’তে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবং রানার্স-আপ মরক্কো। গ্রুপ ডি’তে চ্যাম্পিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রানার্স-আপ অস্ট্রেলিয়া এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে প্যারাগুয়ে। গ্রুপ ই’তে চ্যাম্পিয়ন জার্মানি, রানার্স-আপ আইভরি কোস্ট এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে ইকুয়েডর। গ্রুপ এফে চ্যাম্পিয়ন নেদারল্যান্ডস, রানার্স-আপ জাপান এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে সুইডেন। গ্রুপ জি চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম এবং রানার্স-আপ মিশর। গ্রুপ এইচে চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং রানার্স-আপ কেপ ভার্দে। গ্রুপ আই চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স, রানার্স-আপ নরওয়ে এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে সেনেগাল। গ্রুপ জে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, রানার্স-আপ অস্ট্রিয়া এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে আলজেরিয়া। গ্রুপ কে চ্যাম্পিয়ন কলম্বিয়া, রানার্স-আপ পর্তুগাল এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। গ্রুপ এলে:চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, রানার্স-আপ ক্রোয়েশিয়া এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে ঘানা।