মেসির সিদ্ধান্তে কান্নায় ভেঙে পড়েছিল স্ত্রী-সন্তানরা

0

স্পোর্টস ডেস্ক: বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে লিওনেল মেসি প্রায় বলতেন, বার্সেলোনা তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি। কাতালান শহরটিতে বেড়ে উঠছে তাঁর সন্তানরা। কিন্তু হঠাৎ করে যখন শহরটি ছাড়ার কথা ওঠে, তখন আবেগ ধরে রাখতে পারেননি মেসির স্ত্রী ও সন্তানরা। মেসি জানালেন, তাঁর ক্লাব ছাড়ার কথা শুনে পরিবারের সবাই কান্না শুরু করে।ক্লাব ফুটবল ক্যারিয়ারের পুরোটাই বার্সেলোনায় কাটিয়েছেন মেসি। ২০ বছর খেলার পর গত ২৫ আগস্ট প্রিয় ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দেন। কিন্তু রিলিজ ক্লজ ঝামেলায় শেষ  পর্যন্ত বার্সাতেই থেকে যেতে হচ্ছে রেকর্ড ছয়বারের বর্ষসেরা ফুটবলারকে।   গতকাল শুক্রবার ১০ দিন ধরে চলতে থাকা মেসি-বার্সা বিচ্ছেদ গল্পের অবসান হয়। গোল ডটকমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি জানিয়ে দেন, ২০২০-২১ মৌসুম কাতালান শিবিরেই থাকছেন তিনি। সেইসঙ্গে তুলে ধরেন বার্সার প্রতি অভিজ্ঞতা ও ক্লাব ছাড়ার ঘোষণায় পরিবারের প্রতিক্রিয়া।মেসি বলেন, ‘যখন আমার স্ত্রী-সন্তানদের ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলাম, তখন অন্যরকম এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সবাই কাঁদতে শুরু করেছিল। আমার সন্তানরা বার্সেলোনা ছেড়ে যেতে চায়নি, তারা স্কুল পরিবর্তন করতে চায়নি।’সবচেয়ে বেশি ভেঙে পড়েছিল মেসির বড় ছেলে থিয়াগো। তার বয়স আট বছর। সে সবকিছুই বুঝতে পেরেছিল। মেসির কথায়, ‘‘মাতেও এখনো ছোট, সে বুঝতে পারে না অন্য কোথাও গিয়ে জীবনযাপন করার মানে কী। থিয়াগো সবার বড়। সে টিভিতে কিছু একটা শুনেছিল এবং কিছু আঁচ করতে পেরেছিল; আমাকে এ নিয়ে জিজ্ঞেসও করেছিল। আমাদের বাধ্য হয়ে চলে যাওয়া, তার নতুন স্কুলজীবনে পা রাখা বা নতুন বন্ধু তৈরি করা—এসব নিয়ে আমি তাকে কিছু বুঝতে দিতে চাইনি। সে কাঁদতে কাঁদতে আমাকে বলল, ‘যেও না।’ এটা খুব কষ্টদায়ক ছিল।”ক্লাব ছাড়তে হলে রিলিজ ক্লজ নিয়ে আইনি লড়াইয়ে নামতে হতো মেসিকে। কিন্তু প্রিয় ক্লাবের বিপক্ষে আইনি লড়াইয়ে যেতে চাননি তিনি। দীর্ঘদিনের ক্লাব বলেই আরো এক মৌসুম বার্সাতে থেকে যাচ্ছেন তিনি, ‘আমার প্রিয় ক্লাবের বিপক্ষে কখনোই আমি আইনি লড়াইয়ে যাব না। এ কারণেই আমি বার্সেলোনায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

Share.